শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

ভুইগড়ে ৮০টি পাসপোর্ট ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক কারবারি মাইচ্ছা মহসিন গ্রেপ্তার

প্রকাশ:১৩:২৪,২ অক্টোবর ২০২৬

ভুইগড়ে  ৮০টি পাসপোর্ট ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক কারবারি মাইচ্ছা মহসিন গ্রেপ্তার

ভুইগড়ের এক কার্যালয়ে অভিযানে পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে এবং বিপুল পরিমাণ জাল সিল ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।

ফতুল্লার ভুইগড় এলাকায় এক কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ মাদক কারবারি মহসিন ওরফে মাইচ্ছা মহসিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৮০টি পাসপোর্ট, বেশ কিছু ভুয়া সিল, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি সুইচগিয়ার চাকু ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মো. শামীমের নেতৃত্বে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ভুইগড়স্থ কেএমএস টাওয়ারের তিন তলার একটি অফিসে এই অভিযান পরিচালনা করে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- ফতুল্লা রেল স্টেশন এলাকার মৃত মুছা বেপারির ছেলে মহসিন ওরফে মাইচ্ছা মহসিন, সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুরের মৃত জয়নাল মিয়ার ছেলে মো. রাশেদ এবং ফতুল্লার শান্তিনগরের হাজী আব্দুল জব্বার মিয়ার ছেলে তানহা। আটক মহসিন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান দোলনের অন্যতম সহযোগী বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, যে কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়েছে সেটি ছাত্রদল নেতা দোলনের। তবে অভিযানে থাকা ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মিলন ফকির জানান, ভবনটির যে কক্ষটিতে অভিযান চালানো হয়েছে তা রাশেদ নামে এক ব্যক্তি ভাড়া নিয়েছিলেন। ঐ ভবনে দোলনেরও একটি অফিস রয়েছে এবং তিনি সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতেন বলে জানা গেছে।

 

পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মহসিনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় সোহাগ হত্যা ও মাদক মামলাসহ প্রায় ৮ থেকে ১০টি মামলা রয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায়ও তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা রয়েছে। পূর্বে দেলপাড়ায় তার বাসায় অভিযান চালিয়ে ঢাকা জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর প্রায় কোটি টাকা মূল্যমানের আইস ও ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছিল। এরপর সে দেলপাড়া ছেড়ে ছাত্রদল নেতা দোলনের সাথে সখ্য গড়ে তোলে এবং ভুইগড়ে কার্যালয় ভাড়া নিয়ে মাদক কারবার পরিচালনা করে আসছিল। চক্রটি ঐ কার্যালয়ে বসে টাকা গ্রহণ করত এবং পাশের একটি অর্ধনির্মিত ভবন থেকে মাদক সরবরাহ করত।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মো. শামীম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্য। তারা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত। এই চক্রের সাথে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।

সম্পর্কিত বিষয়:

https://www.facebook.com/hellonarayanganjbd/

আরও পড়ুন