শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

নারায়ণগঞ্জে বাজারে সবজির চড়া দাম

প্রকাশ:১৮:২১,১৬ অক্টোবর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে বাজারে সবজির চড়া দাম

.

নারায়ণগঞ্জের বাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সবজির দাম আরেক দফা বেড়েছে। শীতের নতুন সবজির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। এতে দৈনন্দিন বাজার খরচ সামলাতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শহরের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পটল, ঢ্যাঁড়শ ও চিচিঙ্গা কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়ে বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে উঠেছে। গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, টমেটো ১৮০ থেকে ২০০ টাকা ও জলপাই ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামে মিলছে পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, আলু ৩০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে।

শীতকালীন নতুন সবজির মধ্যে শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। নতুন আলু কেজিতে ২০০ টাকা ছুঁয়েছে। এছাড়া মুলা ৬০ টাকা, ফুলকপি ৫০ থেকে ৮০ টাকা এবং বাঁধাকপি প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যান্য পণ্যের মধ্যে কচুর লতি ৮০ টাকা, কচুরমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। লেবু প্রতি হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও কাঁচা কলা ৪০ টাকায় মিলছে। চালকুমড়া প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকা ও ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা ও হাইব্রিড ধনেপাতা ২৪০ টাকা কেজি।

সবজির দামে অস্বস্তি থাকলেও শাকের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল। প্রতি আঁটি লালশাক ১৫ টাকা, লাউশাক ৫০ টাকা ও পুঁইশাক ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই আঁটি কলমিশাক ২০ টাকা এবং ডাঁটাশাক ৪০ টাকায় মিলছে।

আমিষের বাজারে মুরগি ও মাছের দামও চড়া। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৮০ টাকা, সোনালি কক ৩২০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা ও হাঁসের ডিম ২০০ টাকা। দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি মুরগির ডিম ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে চাষের শিং প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা ও দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৪০ টাকা এবং চাষের কৈ ২২০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, কাতল ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, পাবদা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে মাংসের বাজারে নতুন করে দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। আয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে নিয়মিত বাজার তদারকির দাবি জানিয়েছেন তারা।

https://www.facebook.com/hellonarayanganjbd/

আরও পড়ুন