শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

বন্দরে মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বে একাধিক খুন, উদ্বেগে স্থানীয়রা

প্রকাশ:২০:০২,১৭ অক্টোবর ২০২৬

বন্দরে মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বে একাধিক খুন, উদ্বেগে স্থানীয়রা

.

বন্দর উপজেলায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের অভিযোগ রয়েছে। এতে কিশোর-তরুণদের মাদকে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সম্প্রতি মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘারমোড়া এলাকায় রাসেল (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। তিনি মৃত শেখ আহাম্মদ মিয়ার ছেলে। মাদক ব্যবসার বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মাদক ব্যবসায়ীরা তাকে হত্যা করেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ১৯ মে বন্দরের মদনগঞ্জ সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় জুয়েল হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তি খুন হন। মাদক সেবন নিয়ে তর্কের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে কুপিয়ে হত্যা করে বলে জানা গেছে। জুয়েল বন্দরের মদনগঞ্জ শান্তিনগর এলাকার মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে। পেশায় তিনি ড্রেজার ব্যবসায়ী ছিলেন।

এ বছরের ৫ আগস্ট বন্দরের শুভকরদি এলাকায় মাদকসংক্রান্ত বিরোধে আমির হোসেন ডালিম (৩৬) নামে এক যুবক ছুরিকাঘাতে আহত হন। তিনি বন্দরের আলীসারদি গ্রামের মৃত জসিমউদ্দিন ওরফে লেচু মিয়ার ছেলে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া রাতে পুরান বন্দর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গেলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-সার্কেল) দীপংকর ঘোষ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিদিন অভিযান চালানো হচ্ছে। গত তিন মাসে ১১৩ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ২৩২ জন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডসহ আলোচিত মামলাগুলোর বেশির ভাগ আসামিকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দুর্গাপূজার পর মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

সম্পর্কিত বিষয়:

https://www.facebook.com/hellonarayanganjbd/

আরও পড়ুন