শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

কয়েক’শ প্লট গিলে খেয়েছে গাজী!

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ:২২:১৫,১৭ অক্টোবর ২০২৬

কয়েক’শ প্লট গিলে খেয়েছে গাজী!

.

একটানা একই আসনে চারবার সংসদ সদস্য ছিলেন গোলাম দস্তগীর গাজী। শেখ হাসিনা সরকার তাকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী করেছিলেন। আওয়ামীলীগের পুরো সময়ে তিনি ছিলেন রূপগঞ্জের দন্ডমুন্ডের হর্তাকর্তা। প্রভাবশালী এ শিল্পপতি কাম রাজনীতিক জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কয়েকশ’ প্লট আত্মসাত করেছে। অভিযোগে গাজী ছাড়াও তার এপিএস এমদাদুল হক দাদুল, আনছার আলী, সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান, ফেরদৌসী আলম নীলা, ইমন হাসান খোকন ও আরমান মোল্লার নাম রয়েছে।


শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে এমমন অভিযোগ করা হয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রূপগঞ্জের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে এ প্লট বরাদ্দ দেয়ার কথা থাকলেও তা জালিয়াতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।


এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, তাদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ জব্দ এবং বিদেশযাত্রা বন্ধের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
অভিযোগ দায়েরের সময়ে  উপস্থিত রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন এর সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, কয়েক শ’ প্লট গাজী ও তার লোকেরা দুর্নীতি এবং জালিয়াতি করে আত্মসাত করেছে। প্রকৃত প্লট মালিকরা প্লট পায়নি। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা নিজেদের, পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের নামে পূর্বাচল প্রকল্পের সরকারি প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। এতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।  


তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভরসা হলো দুর্নীতি দমন কমিশন। আমরা চাই, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগে বরাদ্দ পাওয়া প্লটগুলো বাতিল করা হোক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা, তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ, বিদেশযাত্রা বন্ধ ও পাসপোর্ট জব্দ করার জন্যও আবেদন জানিয়েছি।

তদন্তের মাধ্যমে যেসব প্লট অবৈধভাবে বরাদ্দ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যাবে, সেগুলো উদ্ধার করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও এখনো প্লট না পাওয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন।

https://www.facebook.com/hellonarayanganjbd/

আরও পড়ুন