শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা জহিরুল হত্যা: ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ:১৩:১৮,২৫ অক্টোবর ২০২৬

সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা জহিরুল হত্যা: ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

.

সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা ফকির জহিরুল ইসলামকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিহতের ভাগনে ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় এ মামলা করেন।

মামলায় আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিজভীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। রিজভী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মোবারক হোসাইনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী বলে পরিচিত। নিহত জহিরুল ইসলাম কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও খালিয়ারচর গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুন্সিগঞ্জে ভাড়া বাসায় থেকে সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ বাজারে ফার্মেসি পরিচালনা করতেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জহিরুল কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। এ কারণে তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ দেওয়া হতো এবং চাঁদা দাবি করে ভয়ভীতি দেখানো হতো। এর আগে ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর আড়াইহাজারে তার ওপর হামলা হয়েছিল। ওই ঘটনায় জহিরুল আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন।

নিরাপত্তার কারণে জহিরুল গ্রামে না থেকে অন্যত্র বসবাস করলেও এলাকায় গিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা করতেন। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে ফার্মেসি বন্ধ করে ফেরার পথে কাশেমনগরে একটি কাঁচা রাস্তায় রিজভীর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোক তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।

স্বজনেরা উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলাকালেই তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে জহিরুল হামলাকারীদের কয়েকজনের নাম স্বজনদের জানিয়েছিলেন।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল বারিক জানান, জহিরুল হত্যার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সম্পর্কিত বিষয়:

https://www.facebook.com/hellonarayanganjbd/

আরও পড়ুন