শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
প্রকাশ:১৯:৪৭,২৮ অক্টোবর ২০২৬
.
বন্দরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। অভিযানে প্রায় আড়াই হাজার ডাবল বার্নারের আবাসিক সংযোগ এবং একটি অবৈধ চুন ফ্যাক্টরির সংযোগ উৎস থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিলের নেতৃত্বে এবং তিতাস গ্যাসের জোনাল বিক্রয় অফিস-বন্দরের ব্যবস্থাপনায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দরের জাঙ্গাল ও মালিবাগ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন চারটি পয়েন্টে এই অভিযান চালানো হয়। এসব সংযোগের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় আনুমানিক ৫২ হাজার ৫০০ ঘনফুট গ্যাস অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
অভিযানের শুরুতে জাঙ্গাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বন্ধ থাকা অবৈধ চুন ফ্যাক্টরির সন্ধান মেলে। সেখানে মূল সোর্স লাইনের সঙ্গে দুই ইঞ্চির ভাল্ব দিয়ে তৈরি অবৈধ সংযোগটি চার ফুট দুই ইঞ্চি ব্যাসের এমএস পাইপলাইন ও ভাল্ব অপসারণ করে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এর পর জাঙ্গাল মেইন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় এক হাজার ডাবল বার্নারের অবৈধ আবাসিক সংযোগ কাটা হয়, যার আনুমানিক লোড ছিল ঘণ্টায় ২১ হাজার ঘনফুট। এ সময় ৬০ ফুট হোস পাইপ, ১০ ফুট এমএস পাইপ ও একটি ভাল্ব জব্দ করা হয়। একই এলাকার খাল ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে আরও প্রায় এক হাজার অবৈধ সংযোগের বিতরণ লাইন অপসারণ করা হয়। সেখান থেকে ১৭০ ফুট এমএস পাইপ, ১০০ ফুট প্লাস্টিক কেসিং পাইপ এবং তিনটি রেগুলেটর জব্দ করা হয়।
সর্বশেষ মালিবাগ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এস এইচ ক্যাসেল অ্যান্ড রিসোর্টের পাশে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ ডাবল বার্নারের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এই সংযোগগুলোর আনুমানিক গ্যাস লোড ছিল ঘণ্টায় ১০ হাজার ৫০০ ঘনফুট এবং এ সময় ১৫০ ফুট এমএস পাইপলাইনও অপসারণ করা হয়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, গ্যাসের অপচয় রোধ এবং সরকারি রাজস্ব সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।