শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
প্রকাশ:১১:৪৯,৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩৩ হাজার ভোল্টের তারের সংস্পর্শে দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিদনি ও আতিয়া মারা গেছে।
ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় আতিয়া (১১) এবং বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টায় জিদনি (১৪) মারা যায়।
হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিদনির শরীরের ৮২ শতাংশ এবং আতিয়ার ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে লামিয়া (১৩) নামে আরেক শিক্ষার্থী ৫৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তবে তুলনামূলক কম দগ্ধ সুমাইয়া (১৩) ও আছিয়ার (১২) শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। যথাক্রমে ১৩ ও ৭ শতাংশ দগ্ধ এই দুই শিক্ষার্থীকে আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, গত শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়নের দেওয়ানবাড়ি-হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় মাদ্রাসার চারতলা ভবনের ছাদে কয়েকজন শিক্ষার্থী খেলছিল। তাদের হাতে খাওয়ার জন্য আখ ছিল। ভবনটির ছাদের ওপর দিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন চলে গেছে। অসাবধানতাবশত হাতের আখটি বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে বিকট শব্দে আগুনের ঝলকানি তৈরি হয়। এতে ওই পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়।
দুর্ঘটনার পরপরই মাদ্রাসার শিক্ষক ও স্থানীয় লোকজন দগ্ধ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।