শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

গাবতলী-নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেলে অর্থায়নে বিশ্বব্যাংককে সরকারের চিঠি

প্রকাশ:১৮:৫২,২৯ অক্টোবর ২০২৬

গাবতলী-নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেলে অর্থায়নে বিশ্বব্যাংককে সরকারের চিঠি

.

রাজধানীর গাবতলী থেকে নিউমার্কেট হয়ে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘মেট্রোরেল লাইন-২’ (এমআরটি-২) প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থায়ন চেয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এই মেট্রোরেল ব্যবস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহায়তার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) তথ্যানুযায়ী, এমআরটি লাইন-২ নির্মাণের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা বা প্রায় ৪ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বিশ্বব্যাংকের কাছে এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র পাঠায়। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদন করেন। সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে নতুন ‘কান্ট্রি প্রোগ্রাম’ প্রণয়ন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের আলোচনা চলছে, যা আগামী নভেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। আলোচনা শেষে প্রকল্পটির অর্থায়ন সংক্রান্ত বিষয়টি পর্যালোচিত হবে।

প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, ৩০ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রোরেল রুটের সাড়ে ৭ কিলোমিটার হবে ভূগর্ভস্থ এবং বাকি অংশ উড়ালপথে নির্মিত হবে। পথটি গাবতলী থেকে শুরু হয়ে ঢাকা উদ্যান, বসিলা, মোহাম্মদপুর বিআরটিসি বাস স্ট্যান্ড, ধানমন্ডি ১৫, সায়েন্সল্যাব, নিউমার্কেট, আজিমপুর, লালবাগ, চকবাজার, মিটফোর্ড, নয়াবাজার, ধোলাইখাল, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, সাইনবোর্ড, চাষাঢ়া হয়ে নারায়ণগঞ্জে গিয়ে শেষ হবে। এই লাইনটির সঙ্গে গাবতলীতে এমআরটি লাইন-৫ এবং কমলাপুর ও সাইনবোর্ডে অন্যান্য মেট্রোলাইনের সংযোগ থাকবে।

রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকার ঘোষিত ৬টি মেট্রোরেল লাইনের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে জাপানের অর্থায়নে এমআরটি লাইন-৬, লাইন-১ ও লাইন-৫ (নর্দার্ন রুট)-এর নির্মাণকাজ চলছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে এসব প্রকল্পের গতি বাড়ানোর ওপর তাগিদ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নে এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট) একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া এমআরটি লাইন-৪-এর সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করে কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের চূড়ান্ত উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য শীঘ্রই দক্ষিণ কোরিয়া সফরের কথা রয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর।

https://www.facebook.com/hellonarayanganjbd/

আরও পড়ুন