শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ:২১:৪৮,৩১ অক্টোবর ২০২৬
.
সদস্য হওয়ার বয়স মাত্র এক মাস। তার চেয়ে অনেক পুরনো ও অভিজ্ঞ সদস্য আছেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নারায়ণগঞ্জ ইউনিটিতে। তাদের মধ্য থেকে কাউকে না নিয়ে অধ্যাপক বদরুন্নাহারকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য করায় অনেকেই বিষ্মিত হয়েছে। তার স্বামী অধ্যাপক মামুন মাহমুদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ছিলেন।
এই প্রথম বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নারায়ণগঞ্জ ইউনিটির নির্বাচন হওয়ায় অনেকের দৃষ্টি ছিলো। সবাই বিষয়টিকে দারুণভাবে উপভোগ করতে চেয়েছেন। নির্বাচনে সহ সভাপতি ছাড়া সব পদের বিপরীতে ভোটাভুটি হয়েছে। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে নির্বাচন হয়।
এ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মো. মামুন মাহমুদ। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মামুন মাহমুদের স্ত্রী অধ্যাপক বদরুন্নাহার, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক থেকে পদত্যাগ করা ও এমপি আবুল কালামের মেয়ে সামছুন নূর বাঁধন, ব্যবসায়ী নেতা মো. সোহেল আক্তার সোহান এবং জেলা বিএনপির সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুল।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, আগে নির্বাচন হয়নি। এবারতো নির্বাচন হলো। যারা নির্বাচন কমিশনে ছিলো তারা সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়েছে এজন্য ধন্যবাদ। এবং যারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে বিজয়ী ও পরাজিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন খান। নির্বাচনের পরিচালনা কমিটিতে স্বামী-স্ত্রীর থাকা নিয়ে প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান।
নির্বাচনে অংশ নেয়া এক প্রার্থী বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য দল বিতর্কিত হয়। কারন তাকে মানুষ চেনে দলের পরিচয়ে। তিনি বা দলের যে কোন নেতা কোন ভালো করলে তা দলের জন্য মঙ্গল আর মন্দ করলে দলের জন্য ক্ষতিকর। ওই প্রার্থীর মতে, নতুন সদস্য হওয়া স্ত্রীকে পরিচালনা কমিটিতে না রাখলেও পারতেন মামুন মাহমুদ।
বিজয়ী এক প্রার্থী জানান, নির্বাচন হওয়ায় মানুষ খুব খুশী। তবে এ ধরনের ঘটনায় আনন্দ কিছুটা হলেও ম্লান করেছে।
সূত্র জানায়, নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে থাকা অধ্যাপক বদরুন্নাহার গত মাসে এ সংস্থার সদস্য হয়েছেন।
একজন নতুন সদস্যকে এমন গুরুদায়িত্ব দেয়ার পেছনে তার স্বামী মামুন মাহমুদের প্রভাব কিংবা আগ্রহ কাজ করেছে কি-না, তা জানতে অধ্যাপক মামুন মাহমুদের মোবাইল ফোনে, হোয়াটসএ্যাপে কল দিলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।