সোমবার ০২ নভেম্বর ২০২৬ , ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
প্রকাশ:০৯:২৩,২ নভেম্বর ২০২৬
.
সোনারগাঁওয়ে দুটি শিল্প কারখানায় সিকিউরিটি গার্ডদের জিম্মি করে মালামাল লুটের ঘটনায় জড়িত ৫ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর সোনারগাঁওয়ের দুটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়ে তামার তারসহ মূল্যবান মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায় চক্রটি। পরে ঢাকা, গাজীপুর ও নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৬ অক্টোবর দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে ভোর চারটার দিকে সোনারগাঁওয়ের হামেশা ফুড লিমিটেডের সিকিউরিটি গার্ডদের জিম্মি করে অজ্ঞাতনামা ডাকাত দল তামার তার, মনিটর ও মোবাইল ফোন লুট করে পিকআপে করে নিয়ে পালিয়ে যায়। এর পরের দিন ২৭ অক্টোবর দিবাগত রাত তিনেটা থেকে সাড়ে চারটার দিকে একই কায়দায় কাশ্মীর গ্রুপ লিমিটেডে হানা দিয়ে তামার তারসহ অন্যান্য মালামাল লুটে নেয় ওই একই দল। এ ঘটনায় সোনারগাঁও থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক ডাকাতির মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সোনারগাঁও থানা পুলিশের দুটি টিম ঢাকা, গাজীপুর ও নরসিংদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। গত ৩১ অক্টোবর প্রথম দলটি ডিএমপির যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে রাদেশুল মাদবর ওরফে রাজু এবং টঙ্গী এলাকা থেকে আবু সাঈদ ওরফে মোল্লাকে গ্রেফতার করে। অন্যদিকে দ্বিতীয় দলটি গাজীপুর থেকে বাছের মিয়া, অনিল বাবু এবং ইমন হাসান ওরফে রাশেদুলকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারের পর গত ১ নভেম্বর তাদের পুলিশ পাহারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর মধ্যে রাদেশুল মাদবর ও আবু সাঈদ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পুলিশি অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৩০০ আর-এর ৪৪০ মিটার ক্যাবলের কভার থেকে ছোটানো ২০০ কেজি তামার তার, একটি খোলা পিকআপ, মালামাল বিক্রির নগদ ৯৩ হাজার টাকা এবং একটি তামার ববিন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রাদেশুল মাদবরের বিরুদ্ধে একটি এবং অনিল বাবুর বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ছয়টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।