শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
প্রকাশ:১৩:০২,১৪ অক্টোবর ২০২৬
.
সহকর্মীরা কেউ গোপনে অপছন্দ করছেন কি না, তা নিয়ে প্রায়ই সংশয়ে পড়েন অনেকেই। মানুষ সচরাচর সরাসরি অপছন্দের কথা প্রকাশ করেন না। তবে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, কিছু সূক্ষ্ম আচরণের পরিবর্তন লক্ষ্য করে অন্যের মনোভাব কিছুটা অনুমান করা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কারো দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়া বা চোখে চোখ রেখে কথা বলা এড়িয়ে চলা মানসিক দূরত্ব তৈরির একটি লক্ষণ। সাধারণত মানুষ পছন্দের মানুষের সঙ্গেই বেশি আই-কন্টাক্ট রাখেন। পাশাপাশি মুখের অভিব্যক্তিতে অবজ্ঞা, বিরক্তি কিংবা অন্য সবার তুলনায় সামনে কম হাসার প্রবণতাও আন্তরিকতার ঘাটতি নির্দেশ করে।
শারীরিক ভঙ্গিতেও অনীহার প্রকাশ ঘটে। কথা বলার সময় শরীর অন্যদিকে ফিরিয়ে রাখা কিংবা অতিরিক্ত শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা এর মধ্যে অন্যতম। মনোবিজ্ঞানের প্রক্সেমিকস শাখা অনুযায়ী, মানুষ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করলেই কেবল অন্যকে নিজের ব্যক্তিগত পরিসরে আসতে দেন। ফলে দূরত্ব বজায় রাখার অর্থ ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলা।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, কেবল একটি মাত্র লক্ষণ বা একক পরিস্থিতি দেখে কাউকে অপছন্দ করার সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। ক্লান্তি, লাজুক স্বভাব, উদ্বেগ বা সাংস্কৃতিক পার্থক্যের কারণেও এমন আচরণ হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট কোনো আচরণের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে একই ধরনের পরিবর্তন বারবার দেখা গেলে তবেই সামগ্রিক বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত।